Sunday, 12 February 2017

২0 পদের মজাদার সব ভর্তার রেসিপি

২0পদের মজাদার সব ভর্তার রেসিপি , জেনে নিন


২0 পদের মজাদার সব ভর্তার রেসিপি – বাঙ্গালীদের কাছে ভর্তা অনেক জনপ্রিয় একটা খাবার। ভর্তা কথাটা শুনলে জিভে জল চলে আসে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া বেশ কঠিন। আমরা সবাই কম বেশি ভর্তা বানাতে জানি। আর তাই আমরা আজকে হাজির হয়েছি ২0  পদের মজাদার সব ভর্তার রেসিপি নিয়ে; যা আপনাকে আপনার রসনাবিলাসে সাহায্য করবে। তাহলে জেনে নিন রেসিপিটি।

১. আলু ভর্তা

আলু আধা কেজি সিদ্ধ করে চটকে নিন। এবার পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনা মরিচ ভেজে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ বাদামী রং হলে পেঁয়াজ মরিচ লবণ দিয়ে চটকে আলু দিন এবার ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে মেখে ভর্তা বানিয়ে নিন।

২. বেগুন ভর্তা

উপকরণ :
✿ বড় গোলবেগুন ১টি,
✿ সরিষা বাটা ১ চা চামচ,
✿ নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ,
✿ টমেটো কুঁচি১ কাপ,
✿ পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ,
✿ মেথি আধা কাপ,
✿ সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ,
✿ কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ,
✿ লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী :
বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা, নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে বেগুন দিন। কড়াইয়ের তলা ছেড়ে এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।

৩. মসুর ডালের ভর্তা

উপকরণ :
✿ মসুর ডাল ১ কাপ,
✿ পানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ কাপ,
✿ রসুন কুঁচি আধা চামচ,
✿ পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ,
✿ লবণ আধা চা চামচ,
✿ কাঁচামরিচ ফালি ২টি,
✿ তেল ১ চা চামচ।
প্রণালী :
সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে।

৪. টমেটো ভর্তা

উপকরণ :
✿ ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম,
✿ পেঁয়াজ মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ,
✿ শুকনা মরিচ ২টা,
✿ ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ,
✿ লবণ পরিমাণমতো,
✿ চিনি ১ চা চামচ,
✿ সরষের তেল ১ টেবিল চামচ,
✿ লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী :
শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস, ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।

৫. টাকি মাছের ভর্তা

উপকরণ :
✿ টাকিমাছ ১ কাপ,
✿ পেঁয়াজ স্লাইস ৩ টে.চা ,
✿ আদা রসুন,বাটা ১ চা. চা,
✿ পেঁয়াজ পাতা ২ টে. চা ,
✿ জিরা বাটা ১ চা. চা,
✿ রসুন ছেঁচা ২ টে. চা,
✿ ধনে বাটা ১ চা. চা ,
✿ লবণ স্বাদ অনুযায়ী,
✿ হলুদ বাটা ১/২ চা. চা ,
✿ মরিচ বাটা ১ /২ চা. চা
প্রনালী :
মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১ কাপ মেপে নাও।,তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে কষাও। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি পেঁয়াজ দিয়ে নাড়। মাছ দিয়ে নেড়ে নেড়ে ভাজ। লবণ দাও। মাছ হালুয়ার মতো তাল বাঁধলে নামাও। মাছ যেন ঝুরি এবং শুকনা না হয়।এর পর আপনি চাইলে হাত দিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।

৬. কালিজিরা ভর্তা

উপকরণ
✿ কালিজিরার আধা কাপ,
✿ রসুনের কোয়া ২ টেবিল-চামচ,
✿ কাঁচামরিচ ৮টি,
✿ পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ,
✿ লবণ পরিমাণমতো,
✿ সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালী
রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে ভর্তা করুন।

৭. আলু ডিম ভর্তার রেসিপি

উপকরণ
✿ ডিম ২টি,
✿ আলু ১টি (মাঝারি সাইজের),
✿ কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ,
✿ পেঁয়াজ কুঁচি১টেবিল চামচ,
✿ ধনেপাতা কুঁচি ১ চা চামচ,
✿ লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী
আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন। খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন।

৮. পালংশাক ভর্তা

উপকরণ :
✿ পালংশাক ২০০ গ্রাম ,
✿ কাঁচা মরিচ/ শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি
✿ পেয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ।
✿ লবণ ও সরিষার তেল -নিজের পছন্দ মত।
প্রণালী :
প্রথমে পালংশাক ভাল করে ধুয়ে বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি, মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন। তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন। শীতের দিনে গরম গরম ভাতের সাথে শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।

৯. লাউশাক ভর্তা

উপকরণ
✿ লাউয়ের পাতা ৬-৭টা,
✿ নারকেল কুড়ানো ৪ চা চামচ,
✿ সরিষা ২ চা চামচ,
✿ সেদ্ধ কাঁচামরিচ ২টা,
✿ প্রয়োজনমতো লবণ।
প্রণালী
লাউশাক ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও সেদ্ধ করুন। শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার নারকেল কুড়ানো, সরিষা, লবণ, সেদ্ধ করা শাক ও কাঁচামরিচসহ পাটায় পানি ছাড়া বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

১০. কাচকি মাছ ভর্তা

উপকরণ
✿ কাচকি মাছ এক কাপ,
✿ পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ,
✿ রসুন কুচি ২ চা চামচ,
✿ কাঁচামরিচ ৪টি,
✿ ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ,
✿ লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী
কাচকি মাছ ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। কাচকি মাছ, পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচামরিচ অল্প তেলে কড়াইতে হালকাভাবে ভাজুন। ভাজা হলে লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে পাটায় বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

১১. করল্লার ভর্তা

করল্লা ধুয়ে খুব মিহি করে কুঁচি করে নিন। এবার করল্লা কুচি চটকে নিয়ে পেঁয়াজ, কাচা মরিচ, লবন এবং তেল দিয়ে ভর্তা তৈরি করুন।

১২. ছুরি শুঁটকি ভর্তার রেসিপি

উপকরণ
✿ ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ,
✿ পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ,
✿ শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ,
✿ লবণ পরিমাণমতো,
✿ চিনি আধা চা চামচ,
✿ লেবুর রস ১ চা চামচ,
✿ তেল আধা কাপ,
✿ আদা বাটা আধা চা চামচ,
✿ রসুন বাটা ১ চা চামচ,
✿ ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ,
✿ হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ,
✿ তেজপাতা ১টি,
✿ কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি।
প্রণালী
শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

১৩. ধনেপাতার চাটনি

উপকরণ
✿ টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি,
✿ রসুন ২ কোয়া,
✿  তেঁতুল ১ টেবিল চামচ,
✿ কাঁচামরিচ ১টি,
✿  চিনি,
✿ লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী
ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন। সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।

১৪. সরিষা ভর্তা

উপরকণ
✿ লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ,
✿ কাঁচামরিচ ১টি,
✿ লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী
সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায় বেটে নিন।

১৫. কাঁচকলা ও ইলিশ মাছের ভর্তা

উপকরণ 
✿ কাঁচকলা ২টি (মাঝারি),
✿ ভাজা ইলিশ মাছ ২ টুকরা (কাঁটা ছাড়ানো),
✿ শুকনো মরিচ ভাজা ২টি,
✿ কাঁচামরিচ কুচি ২টি,
✿ পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,
✿ সরিষার তেল ২ চা চামচ,
✿ লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালী 
কাঁচকলা ডুবো পানিতে সেদ্ধ করুন। কলার খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন। এবার ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও তেল একসঙ্গে মাখুন। মাখা হলে কাঁচকলা দিয়ে ভালো করে মেখে গরম গরম পরিবেশন করুন।

১৬. কচু নারকেল ভর্তা

উপকরণ 
✿ কচু কিমা ১ কাপ,
✿ নারকেল বাটা আধা কাপ,
✿ পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,
✿ শুকনো মরিচ ভাজা ৩-৪টি,
✿ সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ,
✿ পুদিনাপাতা কুচি অল্প পরিমাণ,
✿ লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালী 
প্রথমে এক টুকরো কচুকে পুড়িয়ে বা সেদ্ধ করে ভালো করে মাখিয়ে কিমা তৈরি করুন। একটি ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা মরিচ কুচি দিয়ে বাদামি করে ভেজে তাতে কচু কিমা ও নারকেল বাটা দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার পুদিনাপাতা কুচি ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে গরম ভাতে পরিবেশন করুন মুখরোচক কচু নারকেল ভর্তা।

১৭. থানকুনি পাতার ভর্তা

উপকরণ :
✿ থানকুনি পাতা ১ কাপ,
✿ কাঁচামরিচ ২টি,
✿ রসুনের কোয়া ২টি,
✿ লবণ স্বাদ মতো,
✿ তিল ২ টেবিল চামচ,
✿ কালিজিরা ১ চা চামচ।
প্রণালী :
সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা ধুয়ে পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি করতে হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

১৮. পেঁয়াজ পাতা ভর্তা

উপকরন :
✿ ১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ পাতা ২ কাপ,
✿ সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ,
✿ পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,
✿ শুকনামরিচ ২টি,
✿ কাশুন্দি ১ চা চামচ,
✿ লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী :
ফ্রাই প্যান অথবা কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ পাতা ছেড়ে দিয়ে অল্প আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়ুন। পেঁয়াজপাতা নরম হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার শুকনামরিচ, পেঁয়াজ কুচি ও লবণ ভালোভাবে ডলে পেঁয়াজ পাতা ও কাশুন্দি দিয়ে হালকাভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন। গরম ভাতের সাথে এই ভর্তা খেতে মজা ।

১৯. লাউ এর সিলকা ভর্তা

উপকরণ :
✿ লাউ এর সিলকা-৩ কাপ,
✿ শুকনা মরিচ পোড়ানো-৪/৫টি,
✿ লবণ-পরিমাণ মতো,
✿ ধনে পাতা-সিকি কাপ,
✿ পিঁয়াজ কুচি-সিকি কাপ,
✿ সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।
প্রণালী :
লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল লাউ এর সিলকা ভর্তা।

২০. চিনাবাদাম ভর্তা রেসিপি :

উপকরণ :
✿ চিনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া) ১ কাপ,
✿ পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৪-৫টি,
✿ ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি,
✿ সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ,
✿ লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি :
কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।
আজ আর নয়, আসছি আবারো নতুন কিছু নিয়ে, 

Saturday, 11 February 2017

payoneer muster card


payoneer muster card

Payoneer

হল একটি  Global Payment Solution Company। Payoneer এর Prepaid debit Mastercard এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে Payment Receive/Pay করতে পারবেন। যেমনঃ Upwork, Elance, PPH, Amazon, Clickbank, etc.

Payoneer Mastercard এর মাধ্যমে আপনি যেসব সুবিধা পাবেনঃ

  • একটি Worldwide গ্রহণযোগ্য মাস্টারকার্ড পাবেন।
  • আমেরিকার একটি Virtual ব্যাংক Account পাবেন।
  • Eu Payment Service ইউরোপ থেকে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
  • Online থেকে Mastercard সাপোর্ট এমন যেকোনো জায়গা থেকে যে কোনো কিছু কিনতে পারবেন।
  • US Payment Service এর মাধ্যমে Paypal, Moneybookers, সহ বিভিন্ন কোম্পানি থেকে Payment গ্রহন করতে পারবেন।
  • Payoneer এর Master Card দিয়ে পৃথিবীর যেকোনো দেশের MASTERCARD Supported ATM Booth থেকে Dollar উত্তোলন করতে পারবেন।
১। প্রথমেই নিচের লিঙ্কে প্রবেশ করে  Signup  করে নিনঃ
এইখান থেকে Signup করলে আপনি পাবেন ২৫ ডলার ফ্রী সাথে আমিও পাবো. আপনি প্রথম ১০০ ডলার লোড করার পরে ২৫ ডলার বোনাস পাবেন (আমিও তখন পাব)। তাই কেউ শুধু ২৫ ডলার বোনাস এর আশায় হুদাই Payoneer Account খুলবেন না।
  • সতর্কতাঃ আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার না হন বা অনলাইনে আয়ের কোন উৎস না থাকে তবে দয়া এই কার্ড এপ্লাই করে অযথা দেশের ক্ষতি করবেন না
রেফারেল লিংক দেবার কারন হল। আপনি যদি কোনো মার্কেট প্লেস থেকে একাউন্ট করেন তাহলে ব্যালেঞ্চ ট্রান্সফার করতে পারবেন না, এবং এক মার্কেট প্লেস এর  Payoneer কার্ড অন্য মার্কেট প্লেস অ্যাড করতে পারবেন না। (সুতরাং বুজতেই পারছেন আমি $২৫ পাব এই কথা চিন্তা করে অন্য জায়গা থেকে একাউন্ট করলে কার লস বেশি হবে)। Payoneer এর Activation চার্জ হল ৩০ ডলার এর মত। তাই আপনি যদি Payoneer এর কার্ড ব্যবহার করেন তাহলে এই ২৫ ডলার দিয়ে অন্তত Payoneer এর Activation চার্জ টা দিতে পারবেন। তাহলে আসুন আর কথা না বারিয়ে শুরু করা যাক।

Signup Link Click here

২। এখন এখানে ৪ টি ধাপ আপনাকে অনুসরন করতে হবে।

payoneer muster card

Wednesday, 8 February 2017

কম্পিউটার_Keyboard এর শর্টকাট :

বন্ধুরা শর্টকার্টে  Keyboard ইউজ করতে কে না চাই? কিন্ত না জানার কারনে আমরা সহজ কাজগুলো  সহজে করতে পারিনা , চলুন কথা না বাড়িয়ে শেখা যাক


 # কম্পিউটার_Keyboard এর শর্টকাট :
KEYBORD SORTCURT>> F1: সাহায্য (Help).
>> F2: নির্বাচিত ফাইল রিনেইম করা।
>> F3: ফাইল খোঁজা।
>> F4: অন্য কোনো ফোল্ডারে ফাইল মুভ করা।
>> F5: বর্তমান উইন্ডো রিফ্রেশ করা।
>> F7: ওয়ার্ড/ এক্সেল ডকুমেন্ট স্পেলিং ডায়লগ ওপেন করা।
>> F10: মেনু বার চালু করা।
>> CTRL+C: কপি।
>> CTRL+X: কাট।
>> CTRL+V: পেস্ট।
>> CTRL+Z: আনডু।
>> CTRL+B: অক্ষর বোল্ড করা।
>> CTRL+U: অক্ষর আন্ডার লাইন করা।
>> CTRL+I: অক্ষর ইটালিক করা।
>> CTRL+K: হাইপারলিংক ডায়ালগ ওপেন হওয়া।
>> CTRL+ESC: Start menu চালু।
>> CTRL+ Home: ডকুমেন্ট এর শুরুতে যাওয়া।
>> CTRL+ End: ডকুমেন্ট এর শেষে যাওয়া।
>> CTRL+SHIFT+ESC: টাস্ক ম্যানেজার।
>> CTRL+TAB: কোনো প্রোগ্রামের এক উইন্ডো থেকে অন্য উইন্ডোতে যাওয়া।
>> CTRL+F4: একাধিক ডকুমেন্ট ইন্টারফেস সহ কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করা।
>> CTRL+A: ফোল্ডারের সবগুলো আইটেম নির্বাচন করা।
>> SHIFT+ DELETE: সরাসরি ফাইল ডিলিট করা।
>> SHIFT+ right click: অতিরিক্ত শর্টকাট সহ মেনু।
>> SHIFT+ double click: বিকল্প ডিফল্ট কমান্ড।
>> SHIFT+F10: নির্বাচিত আইটেমের জন্য শর্টকাট মেনু।
>> SHIFT: অটোরান বন্ধ করতে এটি চেপে ধরে রাখুন।
>> SHIFT+ Windows Logo + M: মিনিমাইজ আনডু করা।
>> Home: বর্তমান লাইনের শুরুতে যাওয়া।
>> End: বর্তমান লাইনের শেষে যাওয়া।
>> ALT+ F4: প্রোগ্রাম বন্ধ করা।
>> ALT+TAB : অন্য কোনো চালু করা প্রোগ্রামে যাওয়া (সবগুলো প্রোগ্রাম দেখতে ALT চেপে ধরে TAB চাপুন)।
>> ALT+ SPACE: মেইন উইন্ডো’র সিস্টেম মেনু দেখা।

>> Windows Logo+V: ক্লিপবোর্ড চালু করা।
>> Windows Logo +L: কম্পিউটার লক করা।
>> Windows Logo+ M: সব প্রোগ্রাম মিনিমাইজ করা।
>> Windows Logo+F: Files অথবা Folders খোজাঁ।
>> Windows Logo+K: Keyboard Properties ডায়ালগ বক্স চালু করা।
>> Windows Logo+I: Mouse Properties ডায়ালগ বক্স চালু করা।
>> BACKPACE: পূর্ববর্তী ফোল্ডারে যাওয়া, (ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্ষেত্রে পুর্বের পেইজ     

               
  ফেইসবুকে আমি                                         MAIN PAGE                                              

Saturday, 17 December 2016

ধুমপান করা মাকরূহ নাকি হারাম? ? smoking halal o rharam

ধুমপানঃ অনেক বছর আগে যখন বিজ্ঞান তেমন উন্নত
ছিলনা তখন বেশির ভাগ ইসলামিক বিশেষজ্ঞ বলতেন ধুমপান
করা মাকরুহ। আর এর ভিত্তি ছিল একটি হাদিস যেটা আছে সহি
smoking bed for helth
বুখারী খন্ড ১, হাদিস নং ৮৫৫. নবীজি বলেছেন
কখনো কেউ যদি কাঁচা রসুন বা পেঁয়াজ খায়
তাহলে সে যেন আমার কাছ থেকে আর
মসজিদ থেকে দূরে থাকে। এই হাদিস উপর ভিত্তি
করে ফতোয়া দিয়েছিল ধুমপান মাকরুহ কারণ রসুন আর
পেঁয়াজ খেলে মুখে বাজে গন্ধ হয় আর ধুমপান
করলেও বাজে গন্ধ হয়।কারণ রসুন আর পিয়াজ খাওয়া মাকরুহ
এজন্য ‍সিগারেট খাওয়া মাকরুহ বলেছেন।
কিন্তু এখন বিজ্ঞান উন্নতির ফলে আমরা জানতে পেরেছি
ধুমপান করার ফলে অনেক রোগ হয়। যেমন, ফুসফুসের
ক্যানসার. ব্রনকাটিস, আলসার, ঠোট কালো, যৌন শক্তি
কমে যায়, স্বাস্থ্য খারাপ হবে আরো অনেক রোগ।
সিগারেটের প্যাকেটে মধ্যে লেখা থাকে ধুমপান
করলে মৃত্যু হয়, ধুমপান করলে হার্ট এটাক হয়, ধুমপান
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
আর world Health Organization এর মতে বিশ্বে
প্রতি বছর চল্লিশ হাজার লোক মারা যায় ধুমপান করার কারণে।
মেডিসিন সাইন্স এর মতে ধুমপান হচ্ছে slow
poisoning । আর
পবিত্র কুরআন বলছে তোমরা
নিজের হাতে নিজেদের ধ্বংস করনা, সুরা বাকারা,
আয়াত ১৯৫ । এমন অনেক আয়াতের উপর ভিত্তি করে
এখন প্রায় চারশ বিশেষজ্ঞরো বেশি ফতোয়া দিয়েছে
ধুমপান করা হারাম।এটা অনেকটা আত্তহত্তার মত।আর সিগারেট
আছে নিকোটিন আর টাক। ধুমপান করার ফলে একজন
মানুষের প্রায় ৫০-১০০ টাকা খরচ হয়। আর প্রবিত্র কুরআন
বলছে পানাহার করো অপচয় করোনা। সুরা
আরাফ, আয়াত নং ৩১ । প্রবিত্র কুরআন আরো বলছে,
তোমরা অপচয় করোনা, কারণ অপচয় কারি
শয়তানের ভাই। সুরা বনী ইসরা্ঈল, আয়াত ২৬-২৭।
ধুমপান করলে পাশের লোকের ক্ষতি হয়। যে ধুমপান
করে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয় তার পাশের লোকের
যখন সেই লোক ধোঁয়া ছারে। এজন্য সিঙ্গাপুর সবার
সামনে সিগারেট খাওয়া নিষেধ। আরো অনেক কারণে
ধুমপান করা হারাম বলেছে্
পানঃ শুধু পান খা্ওয়া হারাম নয় কারণ খালি পান করা তেমন ক্ষতি
হয়না আর যদি পানের সাথে জর্দ্দা বা তামাক খায় তাহলে হারাম
কারণ জর্দ্দা বা তামাকে আছে টাক আর নিকোটিন যা
খেলে অনেক ক্ষতি হয় মানুষের, যেটা দোঁয়ার
মাধ্যমে নেয়া হোক বা পানের সাথে চিবিয়ে খাওয়া
হোক ।যে কোন ভাবেই তা গ্রহণ করা হোক তা হারাম।।।পানঃ অনেক বছর আগে যখন বিজ্ঞান তেমন উন্নত
ছিলনা তখন বেশির ভাগ ইসলামিক বিশেষজ্ঞ বলতেন ধুমপান
করা মাকরুহ। আর এর ভিত্তি ছিল একটি হাদিস যেটা আছে সহি
বুখারী খন্ড ১, হাদিস নং ৮৫৫. নবীজি বলেছেন
কখনো কেউ যদি কাঁচা রসুন বা পেঁয়াজ খায়
তাহলে সে যেন আমার কাছ থেকে আর
মসজিদ থেকে দূরে থাকে। এই হাদিস উপর ভিত্তি
করে ফতোয়া দিয়েছিল ধুমপান মাকরুহ কারণ রসুন আর
পেঁয়াজ খেলে মুখে বাজে গন্ধ হয় আর ধুমপান
করলেও বাজে গন্ধ হয়।কারণ রসুন আর পিয়াজ খাওয়া মাকরুহ
এজন্য ‍সিগারেট খাওয়া মাকরুহ বলেছেন।
কিন্তু এখন বিজ্ঞান উন্নতির ফলে আমরা জানতে পেরেছি
ধুমপান করার ফলে অনেক রোগ হয়। যেমন, ফুসফুসের
ক্যানসার. ব্রনকাটিস, আলসার, ঠোট কালো, যৌন শক্তি
কমে যায়, স্বাস্থ্য খারাপ হবে আরো অনেক রোগ।
সিগারেটের প্যাকেটে মধ্যে লেখা থাকে ধুমপান
করলে মৃত্যু হয়, ধুমপান করলে হার্ট এটাক হয়, ধুমপান
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
আর world Health Organization এর মতে বিশ্বে
প্রতি বছর চল্লিশ হাজার লোক মারা যায় ধুমপান করার কারণে।
মেডিসিন সাইন্স এর মতে ধুমপান হচ্ছে slow
poisoning । আর
পবিত্র কুরআন বলছে তোমরা
নিজের হাতে নিজেদের ধ্বংস করনা, সুরা বাকারা,
আয়াত ১৯৫ । এমন অনেক আয়াতের উপর ভিত্তি করে
এখন প্রায় চারশ বিশেষজ্ঞরো বেশি ফতোয়া দিয়েছে
ধুমপান করা হারাম।এটা অনেকটা আত্তহত্তার মত।আর সিগারেট
আছে নিকোটিন আর টাক। ধুমপান করার ফলে একজন
মানুষের প্রায় ৫০-১০০ টাকা খরচ হয়। আর প্রবিত্র কুরআন
বলছে পানাহার করো অপচয় করোনা। সুরা
আরাফ, আয়াত নং ৩১ । প্রবিত্র কুরআন আরো বলছে,
তোমরা অপচয় করোনা, কারণ অপচয় কারি
শয়তানের ভাই। সুরা বনী ইসরা্ঈল, আয়াত ২৬-২৭।
ধুমপান করলে পাশের লোকের ক্ষতি হয়। যে ধুমপান
করে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয় তার পাশের লোকের
যখন সেই লোক ধোঁয়া ছারে। এজন্য সিঙ্গাপুর সবার
সামনে সিগারেট খাওয়া নিষেধ। আরো অনেক কারণে
ধুমপান করা হারাম বলেছে্
পানঃ শুধু পান খা্ওয়া হারাম নয় কারণ খালি পান করা তেমন ক্ষতি
হয়না আর যদি পানের সাথে জর্দ্দা বা তামাক খায় তাহলে হারাম
কারণ জর্দ্দা বা তামাকে আছে টাক আর নিকোটিন যা
খেলে অনেক ক্ষতি হয় মানুষের, যেটা দোঁয়ার
মাধ্যমে নেয়া হোক বা পানের সাথে চিবিয়ে খাওয়া
হোক ।যে কোন ভাবেই তা গ্রহণ করা হোক তা হারাম।।। Facebook এ আমি 

advice of lokman hakim

হযরত লোকমান (আ:) তার আপন ছেলেকে দেওয়া উপদেশ___
.
___বেটা !তুমি এত মিষ্ট হইও
না যে, মানুষ
তোমাকে গিলিয়া ফেলে।আর এত
তিক্ত হইও না যে মানুষ তোমাকে থুথুর মতো ফেলিয়া দেয়___
.
___বেটা !যখন পেট ভরা থাকে, তখন খাইও না।
পেট ভরা অবস্থায় খাওয়ার
চাইতে কুকুরকে দিয়া দেওয়া ভালো___
.
___বেটা !নিজের খানা আল্লাহ্ভীরু লোকদের ব্যতীত কাহাকেও খাওয়াইও না। আর
নিজের কাজে আলেমগনের নিকট
হইতে পরার্মশ লইতে থাকিও___
.
___বেটা !মূর্খের সহিত বন্ধুত্ব
করিও না। এমন
না হয় তাহার মূর্খতাসুলভ
কথাবার্তা তোমারভালো লাগিত আরম্ভ করে।আর
জ্ঞানী লোকের সহিত শত্রুতা করিও না।এমন
না হয় যে, সে তোমার দিক হইতে মুখ ফিরাইয়া রাখে___
.
___বেটা !তুমি যেদিন
হইতে দুনিয়াতে আসিয়াছ,প্রতিদিন
আখেরাতের নিকটবর্তী হইতেছ___
.
___বেটা !কর্জ হইতে নিজেকে হেফাজাত রাখিও। কেননা ইহা দিনের বেলায় অপমান
এবং রাত্রিতে দুশ্চিন্তা___
.
___বেটা !তুমি মোরগের
চাইতে বেশী অক্ষম
হইও না। সে তো শেষরাত্রিতে জাগিয়া চিৎকার শুরু
করিয়া দেয়, আর তুমি নিজের বিছানায় পড়িয়া ঘুমাইতে থাকো___
.
___বেটা ! গুরুত্ব সহকারে জানাযায় শরীক হইও
এবং অহেতুক অনুষ্ঠানাদি শরীক
হওয়া হইতে বাঁচিয়া থাকিও___

Saturday, 22 October 2016

Birthday wish জন্মদিনের শুভেচ্ছা

solaiman bdctg
How to wish someone 'Happy Birthday'

1.

Hey, wish you a very happy birthday. Hope you have a great day. (হে, আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা.আশা করি আপনার দিন শুভ হোক)

2.

Happy Birthday - may you have a wonderful year, and may all your wishes come true! (জন্মদিনের শুভেচ্ছা - আশা করি আপনার দিন ভালো হোক,আর আপনার সব ইচ্ছা পুরো হোক)

3.

May God fill your day with sunshine, and laughter. Have a great birthday. Happy Birthday! (ঈশ্বর আপনার দিন আলো ,এবং হাসি-খুশিতে ভরিয়ে রাখুন .আপনার জন্মদিন ভালো হোক.শুভ জন্মদিন)

4.

Happy Birthday to my fabulous friend! May you have a wonderful day, and a great year ahead. (আমার প্রিয় বন্ধু কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা. আশা করি আপনার দিন, এবং আগামী বছর ভালো হোক)

5

. Many happy returns of the day. May you have a prosperous year. (दिन की बहुत बहुत बधाई. आशा है आपका साल सौभाग्यशाली रहे)

6.

Millions of wishes, hundreds of smiles, lots of love, and thousands of greetings. Wish you a very Happy Birthday. (লক্ষ লক্ষ ইচ্ছা , শত শত হাসি,প্রচুর ভালোবাসা, এবং হাজার হাজার অভিনন্দন .জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা)

If you forget someone's birthday:

7.

Belated Happy Birthday. I am really sorry that I missed wishing you yesterday, but my good wishes and thoughts are always with you. (বিলম্বিত জন্মদিনের শুভেচ্ছা. আমি দুঃখিত যে আমি কাল আপনাকে শুভেচ্ছা দিতে পারি নি, কিন্তু আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা সবসময় আপনার সাথে আছে)

8.

Belated Happy Birthday! Even though I missed your birthday by a mile, I hope you celebrated it with smile. (বিলম্বিত জন্মদিনের শুভেচ্ছা. যদিও আমি আপনার জন্মদিন মিস করেছি ,কিন্তু আমি আশা করি আপনি খুশির  সাথে এটা পালন করেছেন.)